ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহতরা হলেন- জেলা যুবদল সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানা ও জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন সাব্বির ও জেলা ছাত্রদল নেতা রানা। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদীর সাহাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা যায়, ধানের শীষের প্রচারণায় অংশ নিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান আমান উল্লাহ আমান, ডাকসুর সাবেক জিএস ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব নাজিম উদ্দিন আলম, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং ঢাবির সাবেক ছাত্রনেতা মোস্তাাফিজুর রহমান বাবুলসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় ও পাবনা জেলার নেতৃবৃন্দ সোমবার ঈশ্বরদীতে আসেন।

ঈশ্বরদী শহরে পথসভা ও গণসংযোগ শেষে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিবের গ্রামের বাড়ি সাহাপুরের বাসভবনে যান। এ সময় নেতাদের সথেই ছিলেন পাবনা জেলা বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃবৃন্দ।

হাবিবুর রহমান হাবিবের ভাতিজা ও জেলা ছাত্রদলের সহ সভাপতি ইউপি সদস্য তুহিন জানান, সাহাপুরে মধ্যাহ্নভোজের পরই জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক হিমেল রানার সমর্থকদের সঙ্গে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তসলিম হাসান খান সুইট সমর্থকদের মধ্যে কথাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এতে ছুরিকাঘাতে হিমেল রানা,সাদ্দাম হোসেন, ইমরান হোসেন সাব্বির এবং রানা আহত হন।

তুহিন জানান, এ সময় আরো বেশ কয়েকজন কিলঘুষি ও ধ্বস্তাধস্তিতে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তাৎক্ষণিক সবাইকে পাবনা নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি জানান, পাবনার যুবদলের নেতৃবৃন্দের ঈশ্বরদীতে এসে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ দুঃখপ্রকাশ করেছেন। পরে আহতদের দেখতে হাসপাতালে পাবনায় যান বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ঈশ্বরদী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রিক রাজনৈতিক দলগুলো প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। তার অংশ হিসেবে বিএনপির প্রার্থী হাবিব নিজ এলাকাতে প্রচারণার কাজ করছিলেন। সেখানে খাবার টেবিলে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।। তবে কোন পক্ষই কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি।